Description
সরিষা ফুলের মধু (Mustard Flower Honey) হলো শীতকালীন একটি জনপ্রিয় প্রাকৃতিক মধু। এটি মৌমাছিরা সরিষা ফুলের নেক্টার বা মিষ্টি রস থেকে সংগ্রহ করে। নিচে এই মধুর বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হলো:
১. চেহারা ও রঙ
-
রঙ: তরল অবস্থায় এটি হালকা সোনালি বা খড় রঙের হয়ে থাকে।
-
জমে যাওয়া (Crystallization): সরিষা মধুর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি খুব দ্রুত জমে যায়। জমে যাওয়ার পর এটি দেখতে অনেকটা ঘিউ বা সাদাটে ক্রিমের মতো হয়। অনেকে একে “ক্রিম হানি”ও বলেন।
২. স্বাদ ও ঘ্রাণ
-
স্বাদ: এটি খেতে খুব বেশি কড়া নয়, বরং হালকা ও মৃদু মিষ্টি স্বাদের হয়।
-
ঘ্রাণ: এই মধুতে সরিষা ফুলের একটি প্রাকৃতিক ও স্নিগ্ধ ঘ্রাণ পাওয়া যায়।
৩. সরিষা মধুর বিশেষ বৈশিষ্ট্য
-
গ্লুকোজের আধিক্য: অন্যান্য মধুর তুলনায় সরিষা মধুতে গ্লুকোজের পরিমাণ বেশি থাকে, যার কারণে এটি দ্রুত দানাদার হয়ে জমে যায়। এটি মধুর বিশুদ্ধতার অন্যতম লক্ষণ, ভেজাল নয়।
-
সংগ্রহের সময়: সাধারণত ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসে যখন মাঠ জুড়ে সরিষার হলুদ ফুল ফোটে, তখন মৌয়ালরা এই মধু সংগ্রহ করেন।
৪. স্বাস্থ্য উপকারিতা
-
ঠান্ডা-কাশি নিরাময়: সর্দি, কাশি এবং গলা ব্যথায় এটি অত্যন্ত কার্যকর।
-
দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি: এতে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা শরীরকে দ্রুত এনার্জি দেয়।
-
হজম শক্তি বাড়াতে: প্রতিদিন হালকা গরম পানির সাথে মিশিয়ে খেলে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।
-
ত্বকের যত্ন: এটি মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে এবং আর্দ্রতা বজায় থাকে।
একটি জরুরি তথ্য: অনেকেই মধু জমে গেলে মনে করেন এটিতে চিনি মেশানো হয়েছে। কিন্তু সরিষা মধুর ক্ষেত্রে জমে যাওয়াটাই এর আসল হওয়ার অন্যতম প্রমাণ। জমে গেলে এটি কাঁচের বৈয়ামসহ হালকা গরম রোদে বা গরম পানিতে কিছুক্ষণ রাখলেই আবার তরল হয়ে যায়।
Reviews
There are no reviews yet.